কোথায়, কখন, কিভাবে - ৩

নিঝুম দ্বীপ

কোথায় ?

নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের নোয়াখালি জেলার অন্তর্গত হাতিয়া উপজেলা থেকে ২ কিলোমিটার দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত। এ দ্বীপের পূর্বনাম ছিল চর ওসমান। তবে কেউ কেউ একে ইছামতির চর নামেও ডাকতো। কারণ এ চরে একসময় প্রচুর পরিমাণে ইছা মাছ পাওয়া যেত। ইছা মাছ হল চিংড়ির স্থানীয় নাম।

২০০১ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার এ দ্বীপকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে। নোনাপানি বেষ্টিত এ দ্বীপ কেওড়া গাছ ও হরিণের অভয়ারণ্য। মূলত বল্লারচর, চর ওসমান, কমলার চর এবং মৌলভির চর – এ চারটি চর মিলিয়ে নিঝুম দ্বীপ। স্থানীয় লোকেরা এখনও এ দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাল্লারচর বলের সম্বোধন করে।

প্রায় ১৪,০৫০ একরের এ দ্বীপটি ১৯৪০ সালের দিকে বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে উঠে এবং ১৯৫০ সালের দিকে জনবসতি গড়ে উঠে। এ দ্বীপের মোট আয়তন ১৬৩.৪৫ বর্গকিমি। যার মধ্যে স্থলভাগ হল ৩৮.৬৫ বর্গকিমি ও জলভাগ হল ১২৪.৮১ বর্গকিমি। ২০১৬ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী নিঝুম দ্বীপের লোকসংখ্যা প্রায় ২৫,০০০। এ দ্বীপের নিস্তব্ধতা, শান্ত প্রকৃতি দেখে ও দ্বীপটি আশেপাশের অঞ্চল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে ১৯৭৫ সালে প্রাক্তন মন্ত্রী আমিরুল ইসলাম কালাম এ দ্বীপের নামকরণ করেন নিঝুম দ্বীপ।

কখন ?

সাধারণত বছরের অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত আবহাওয়া নিঝুম দ্বীপ ভ্রমণের উপযোগী থাকে। তবে বিশেষ করে ডিসেম্বর – ফেব্রুয়ারি এ সময়ে পরিবেশ তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে বলে বনের ভেতর চলাফেরা অনেক স্বাচ্ছন্দ্যে করা যায়। অন্য সময়ে অর্থাৎ বর্ষায় মেঘনা নদী ও সাগর উত্তাল থাকে বলে এ দ্বীপে যাতায়াত কিছুটা ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠে এবং বৃষ্টির কারণে রাস্তাঘাট কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলের অনুপোযোগী করে তুলে।

কিভাবে ?

দেশের যে কোন প্রান্ত থেকেই নিঝুম দ্বীপে যাতায়াত করাটা সময় সাপেক্ষ। নৌপথ ও স্থলপথ – দুভাবেই দ্বীপে পৌছানো সম্ভব। তবে যাতায়াতের ক্ষেত্রে আপনি যে পথই বেছে নেন, উভয় ক্ষেত্রেই ভেঙ্গে ভেঙ্গে যেতে হবে, যদিও নৌপথে যাতায়াত তুলনামূলক সহজ ও আরামদায়ক। ঢাকা থেকে নৌপথে যেতে হলে আপনাকে আগে ঢাকার সদরঘাট পৌঁছাতে হবে। সদরঘাট থেকে ৪টি লঞ্চ ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে প্রতিদিন ২টি করে ছেড়ে যায়। লঞ্ছগুলো হল – এম.ভি ফারহান – ৩ ও ৪ এবং এম.ভি তাসরিফ – ১ ও ২। প্রতিদিন বিকাল ৫.৩০ এ ফারহানের যে কোন ১টি ও সন্ধ্যা ৬টায় তাসরিফের যে কোন ১টি লঞ্চ হাতিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। লঞ্চের ডেকের ভাড়া ৩৫০ টাকা এবং নন এসি সিঙ্গেল কেবিন ৯০০ টাকা ও নন এসি ডাবল কেবিন ১৮০০ টাকা। গন্তব্য হাতিয়ার তমুরদ্দি ঘাট। পরদিন সকাল ৭টার মধ্যে লঞ্চ আপনাকে তমুরদ্দি ঘাটে নামিয়ে দেবে।

তমুরদ্দি ঘাট থেকে বাইক বা সিএনজি নিয়ে যেতে হবে মোক্তারিয়া ঘাট। বাইকে গেলে বাইকপ্রতি ৪০০-৫০০ টাকা, প্রতি বাইকে দুই জন এবং সিএনজি রিজার্ভ করে গেলে ৬০০-৮০০ টাকা লাগবে। তবে অবশ্যই দামাদামি করে নিবেন। চাইলে মোক্তারিয়া ঘাট যাওয়ার পথে কমলাদীঘির পাড় ও সমুদ্র সৈকত ঘুরে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্রতি বাইক ৬০০-৭০০ টাকা ও সিএনজি ৮০০-১০০০ টাকা পড়বে। উঠার সময় বাইক বা সিএনজি ড্রাইভার এর সাথে কথা বলে ভাড়া ঠিক করে নিবেন। তমুরদ্দি ঘাট থেকে মোক্তারিয়া ঘাট যাওয়ার পথে মাঝের কিছু অংশের ও শেষের কয়েক কিলোমিটার রাস্তা ভাল না বিধায় সিএনজি এর বদলে বাইক ভাড়া করে যাওয়াই শ্রেয়। প্রায় ৩০ কি.মি দীর্ঘ এ রাস্তা যেতে সময় লাগবে প্রায় ঘন্টা দেড়েক।

স্থলপথে নিঝুম দ্বীপ যেতে হলে দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে নোয়াখালিগামী যেকোন পরিবহনের বাসে করে আপনাকে প্রথমে নামতে হবে নোয়াখালির সোনাপুরে । এছাড়া ঢাকা থেকে ট্রেনে করে আপনি চাইলে নোয়াখালির মাইজদি নামতে পারেন। সোনাপুর অথবা মাইজদি থেকে লোকাল বাস কিংবা সিএনজি রিজার্ভ নিয়ে যেতে হবে চেয়ারম্যান ঘাট। লোকাল বাস ভাড়া ১২০-২০০ টাকা। আর সিএনজি রিজার্ভ করে গেলে পড়বে ৫০০-৮০০ টাকা। চেয়ারম্যান ঘাট থেকে সি-ট্রাক, ট্রলার বা স্পিড বোটে করে আপনাকে যেতে হবে হাতিয়ার নলচিরা ঘাটে। প্রতিদিন সকাল ৮টায় সি-ট্রাক ছেড়ে যায়, ভাড়া ৮০ টাকা। এছাড়া ট্রলারে গেলে ভাড়া জন প্রতি ১২০-১৫০ টাকা ও স্পিড বোটে ৪০০-৪৫০ টাকা। নলচিরা ঘাট থেকে বাইকে দুইজন ৩০০-৫০০ টাকা অথবা সিএনজিতে ৫০০-৮০০ টাকা দিয়ে যেতে হবে মোক্তারিয়া ঘাট। এছাড়াও চট্টগ্রাম সদরঘাট থেকে শুক্রবার ও রবিবার বাদে প্রতিদিন সকালে বিআইডব্লিউটিসি এর জাহাজ ছেড়ে যায় হাতিয়ার উদ্দেশ্যে। 

সন্দ্বীপ হয়ে জাহাজ হাতিয়া পৌছায় বিকেলে। এ পদ্ধতিতে যেতে চাইলে যাওয়ার দিন হাতিয়ার উদ্দেশ্যে জাহাজ ছাড়বে কিনা তা বিআইডব্লিউটিসি থেকে খোঁজ নিয়ে যাবেন। আর যদি খুলনা অথবা বরিশাল থেকে আসতে চান তবে আপনাকে আগে আসতে হবে বরিশাল সদরঘাটে। সেখান থেকে মধ্যরাতে হাতিয়ার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যায়। হাতিয়া থেকে উপরোক্ত যে কোন পদ্ধতিতে যেতে হবে মোক্তারিয়া ঘাট। মোক্তারিয়া ঘাট থেকে ট্রলার অথবা স্পীডবোটে করে যেতে হবে নিঝুম দ্বীপের বন্দরটিলা ঘাটে। ট্রলার ভাড়া জনপ্রতি ৩০ টাকা ও স্পীডবোট ভাড়া জনপ্রতি ৭০ টাকা। বন্দরটিলা ঘাটে নেমে বাইক নিয়ে যেতে হবে নামার বাজার। বাইক প্রতি ভাড়া পড়বে ১০০ টাকা। নামার বাজার এলাকায় নেমে আপনি থাকার হোটেল ঠিক করে নিতে পারেন। সেখানে সোহেল রিসোর্ট, শাহীন রিসোর্ট, ঈশিতা ইকো রিসোর্ট, হোটেল নিঝুম সী প্যালেস ইত্যাদি কিছু মাঝারি মানের থাকার হোটেল আছে যেগুলোতে ১০০০-৩০০০ টাকার মধ্যে মোটামুটি ভাল ব্যবস্থা সম্পন্ন রুম নিতে পারবেন। এর মধ্যে সোহেল ও শাহীন রিসোর্ট উভয়ই একই মালিকের, তবে সোহেল রিসোর্ট তুলনামূলক নতুন হওয়ায় থাকার ব্যবস্থাও তুলনামূলক উন্নতমানের ও ভাড়া অন্যান্য হোটেলগুলোর তুলনায় বেশি। এছাড়া মালিক পরিবর্তন হওয়ার কারণে এক সময়কার জনপ্রিয় নিঝুম রিসোর্ট নাম পরিবর্তন করে এখন ঈশিতা ইকো রিসোর্ট হয়েছে। আর আপনি চাইলে দ্বীপের যে কোন স্থানে তাঁবু গেঁড়ে ক্যাম্পিং করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি দ্বীপে আসার সময় সাথে করে তাঁবু নিয়ে আসতে পারেন অথবা দ্বীপের কিছু হোটেল আছে যারা তাঁবু ভাড়া দেয় তাদের থেকে ভাড়া নিতে পারেন। তাঁবু ভাড়া পড়বে ৫০০-৬০০ টাকা, প্রতি তাঁবুতে দুইজন থাকা যাবে। দ্বীপে পৌঁছে স্থানীয় কাউকে জিজ্ঞেস করলে ওনারাই বলে দিবেন কোথায় তাঁবু ভাড়া পাওয়া যায়।

নিঝুম দ্বীপে ঘুরে দেখার মত স্থান সমূহের মধ্যে অন্যতম হল –

  • নামার বাজার সমুদ্র সৈকত
  • উপর বাজার সমুদ্র সৈকত
  • ওয়াচ টাওয়ার
  • কবিরাজের চর
  • চৌধুরী খাল
  • কমলার চর
  • পালকির চর
  • চোয়াখালি বন
  • দমার চর, ইত্যাদি

দ্বীপে পৌঁছে থাকার বন্দোবস্ত হয়ে গেলে সকাল সকালই ঘুরে আসতে পারেন দ্বীপের ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন ওয়াচ টাওয়ার থেকে। নামার বাজার এলাকার এক প্রান্তে অবস্থিত সোহেল রিসোর্টের ঠিক পাশেই ‘নিঝুমদ্বীপ জাতীয় উদ্যান’ লেখা সাইনবোর্ড দেখতে পাবেন। সাইনবোর্ড সংলগ্ন রাস্তা ধরে মিনিট খানেক হেঁটে গেলেই হাতের ডানে চোখে পড়বে ছয়তলা বিশিষ্ট সুবিশাল ওয়াচ টাওয়ার। ওয়াচ টাওয়ারের উপর থেকে উপভোগ করতে পারেন দেশের ২য় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।

কবিরাজের চর, চৌধুরী খাল ও কমলার চর – এ তিনটি স্পট ঘুরতে হলে নৌকা দিয়ে যেতে হবে। নৌকা ভাড়া পড়বে ১০০০-১৫০০ টাকা। এ স্পট গুলোতে যেতে হলে জোয়ার আসা পর্যন্ত আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। ভাটার সময় দ্বীপ থেকে নৌকা ছেড়ে যেতে পারবে না খালে পর্যাপ্ত পানি না থাকার কারণে। মোটামুটি সকাল সাড়ে দশটা থেকেই দ্বীপের খালগুলোতে পানি আসা শুরু করে। ১১টা থেকে নৌকা চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত পানি চলে আসে খালে। দ্বীপ থেকে নৌকা ছেড়ে দেওয়ার আধা ঘন্টার মধ্যেই আপনি পৌছে যাবেন কবিরাজের চরে। সেখান থেকে চৌধুরী খাল হয়ে কমলার চরে পৌঁছাতে সময় লাগবে ১৫-২০ মিনিট। কমলার চরে পৌছে আপনি নৌকার মাঝিকে গাইড হিসেবে নিয়ে চলে যেতে পারেন বনের গহীনে। ভাগ্যে থাকলে হয়তো দেখা হয়ে যেতে পারে হরিণের। তবে আপনি যদি খুব সকাল সকাল বের হতে চান তবে আপনাকে নিয়ে নৌকা যেন সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে বের হতে পারে তেমন প্রস্তুতি নিয়ে বের হবেন। কারণ ততক্ষণে ভাটার কারণে খালের পানি নেমে যাওয়া শুরু করলেও তখনও নৌকা নিয়ে বের হয়ে যাওয়ার মত যথেষ্ট পরিমাণ পানি খালে থাকবে। তবে তার চেয়ে দেরি হয়ে গেলে নৌকা আর বের হতে পারবে না খালে পানি স্বল্পতার কারণে। ফিরে এসে আপনি দ্বীপে দুপুরের খাবার সেড়ে নিতে পারেন। ৮০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে আপনি খাবার পেয়ে যাবেন। নামার বাজারে অনেকগুলো খাবারের হোটেল থাকলেও আলতাফ চাচার হোটেল, আল্লাহর দান হোটেল, হোটেল আল-মদীনা এগুলোতে খাবারের মান তুলনামূলক ভাল।

আপনার ভ্রমণের যে কোন একদিনের বিকেল রাখতে পারেন পালকির চর ও চোয়াখালির বন ঘুরে আসার জন্য। নিঝুম দ্বীপে এখন হরিণের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে হরিণ দেখতে পাওয়া অনেকটাই ভাগ্যের ব্যাপার হলেও সাধারণত বিকেলের পর থেকে হরিণ দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, তবে তার জন্য অবশ্যই আপনাকে বনের গহীনে যেতে হবে। আর বনে যাওয়ার আগে ঘুরে যেতে পারেন পালকির চর। চরের সৈকতের কাছাকাছি যেতেই আপনি দেখা পাবেন প্রচুর পরিমাণে লাল কাকড়া। এ দুটি স্পট ঘুরতে আপনাকে বাইক ভাড়া নিতে হবে। বাইক প্রতি লাগবে ৪০০-৫০০ টাকা, প্রতি বাইকে দুজন উঠতে পারবেন। বাইকের চালকই আপনাকে বন ঘুরে দেখাবে। বনের মধ্যে প্রবেশ করে কিছুক্ষণ হেঁটে গেলেই একটি লেকের দেখা পাবেন। এই লেকে হরিণরা পানি খেতে আসে।

নামার বাজারে ঢোকার রাস্তার ঠিক উল্টো পাশ দিয়েই আরেকটি রাস্তা সোজা চলে গেছে নামার বাজার সমুদ্র সৈকতের দিকে, হেঁটে যেতে লাগবে ৪-৫ মিনিটের মত। এ সৈকতে বসে উপভোগ করতে পারেন সূর্যাস্ত। সৈকতের পাড় ধরে ২০-২৫ হাটলেই পৌঁছে যাবেন উপর বাজার সমুদ্র সৈকতে। যাওয়ার পথে পড়বে দ্বীপের সেই বিখ্যাত সৈকতের উপর দাঁড়িয়ে থাকা খেজুর গাছের সারি। এছাড়া যদি রাতের বেলা যান তবে সৈকতের আশেপাশে কোন কৃত্রিম আলো না থাকার কারণে আকাশে মেঘ না থাকলে উপভোগ করতে পারবেন লক্ষকোটি তারার মেলা। নিঝুম দ্বীপে আপনি যে উপায়ে এসেছেন ঠিক সেভাবেই ফিরতি পথ ধরতে পারেন। এছাড়া দ্বীপ থেকে সপ্তাহে দুই দিন এবং যাত্রির চাপ যেদিন বেশি থাকে সেদিন সরকারী ট্রলার ছেড়ে যায় তমুরদ্দি ঘাটের উদ্দেশ্যে। স্থানীয় কাউকে জিজ্ঞেস করলেই বলে দিবে আপনার ফেরার দিন ট্রলার ছাড়বে কিনা। নিঝুম দ্বীপ থেকে তমুরদ্দি ঘাটে ট্রলার পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘন্টা, ভাড়া জনপ্রতি ২৫০ টাকা। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ট্রলার ছেড়ে দেয়। এছাড়া আপনি চাইলে ট্রলার রিজার্ভ নিয়েই সরাসরি তমুরদ্দি ঘাট নামতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া পড়বে ২৫০০-৩০০০ টাকা। তমুরদ্দি ঘাট থেকে লঞ্চ ছাড়ে যথাক্রমে দুপুর সাড়ে ১২টা ও ১টায়।

তবে আপনি যদি মনপুরা ঘাট থেকে ঢাকার লঞ্চ ধরতে চান তবে সেটাও সম্ভব। নিঝুম দ্বীপ থেকে নৌকা রিজার্ভ নিয়ে সাড়ে ৭টার মধ্যে রওনা দিতে পারলে ২ ঘন্টার ভেতরে আপনি মনপুরা পৌঁছে যেতে পারবেন। নৌকা রিজার্ভ নিতে লাগবে ১৫০০-২০০০ টাকা। মনপুরা নেমে আপনি দ্বীপের আশপাশ ঘুরে দেখে দুপুরের খাবার খেয়ে লঞ্চে উঠতে পারবেন। নিঝুম দ্বীপ থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চ মনপুরা ঘাট ধরবে দুপুর ২টা থেকে আড়াইটার মধ্যে। এছাড়া আপনি চাইলে মনপুরা দ্বীপে একরাত থেকে পরের দিন দুপুরের লঞ্চ ধরতে পারেন।

Copy link
Powered by Social Snap